... ষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়ে ধর্ষণ মামলা হচ্ছে ২০১৭ সালে বাংলাদেশের ঢাকা শহরে স...
 

জন্মদিনের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়ে ধর্ষণ মামলা হচ্ছে ২০১৭ সালে বাংলাদেশের ঢাকা শহরে সংঘটিত একটি ধর্ষণের ঘটনা। মামলার অভিযোগ পত্রে বলা হয়েছে যে মামলার বাদী এক তরুনী ও তার বান্ধবীকে ২০১৭ সালের ২৮ মার্চ জন্মদিন পালনের কথা বলে বনানীর রেইনট্রি হোটেলে ডেকে নিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সাফাত ও নাঈম নামীয় দুই পুরুষ তাদের ধর্ষণ করে। সাফাত আহমেদ আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে। নাঈম আশরাফ ওরফে এইচ এম হালিম তার বন্ধু। এই অপরাধে সহযোগিতা করে সাফাতের বন্ধু সাদমান সাকিফ, দেহরক্ষী রহমত আলী ও গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন। ঘটনার দিন জন্মদিনের কথা বলে হোটেলের ৭০১ ও ৭০২ নম্বর রুম ভাড়া নেয়া হয়েছিল। দু্ই তরুনী একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী। ধর্ষনে বাধা দিলে ধর্ষকরা তাদের মারধোর করে। বনানীর হোটেলটির অন্যতম মালিক মাহির হারুন ঝালকাঠি-১ আসনের সাংসদ আওয়ামী লীগ নেতা বজলুল হক হারুনের ছোট ছেলে। সে এবং সাফাত বন্ধু। মাহিরের বন্ধু পরিচয় দিয়েই সাফাত সেদিন ওই হোটেলের কক্ষ ভাড়া করেছিল।

তদন্ত ও বিচার

ঘটনার ৪০ দিন পরে ৬ মে বনানী থানায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। ২০১৭ সালের ৭ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগের (ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার) পরিদর্শক ইসমত আরা এমি পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে মুখ্য মহানগর হাকিম দেলোয়ার হোসেনের আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে আসামি সাফাত আহমেদ ও তার বন্ধু নাঈম আশরাফ বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় ধর্ষণের অভিযোগ গঠন করা হয়। মামলার অপর তিন আসামি সাফাত আহমেদের অপর বন্ধু সাদমান সাকিব, দেহরক্ষী রহমত আলী ও গাড়িচালক বিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধেও একই আইনে ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগ গঠন করা হয়। ১৩ জুলাই তারিখে ঢাকার দুই নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শফিউল আজম আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ও আইন অনুযায়ী বিচার প্রক্রিয়া শুরুর আদেশ দেন। ১০ অক্টোবর ২০২১ তারিখে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক মোসাম্মৎ কামরুন্নাহার রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। একই সঙ্গে জামিনে থাকা পাঁচ আসামির জামিন বাতিল করা হয় ও কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।[1] [2] [3] [4] [5]

শাস্তি

তথ্যসূত্র

  1. আরটিভি নিউজ
  2. বরিশাল টাইম
  3. সমকাল প্রতিবেদন-১
  4. বাংলা নিউজ প্রতিবেদন
  5. বিডিনিউজ২৪ প্রতিবেদন




  Go to top  

This article is issued from web site Wikipedia. The original article may be a bit shortened or modified. Some links may have been modified. The text is licensed under "Creative Commons - Attribution - Sharealike" [1] and some of the text can also be licensed under the terms of the "GNU Free Documentation License" [2]. Additional terms may apply for the media files. By using this site, you agree to our Legal pages [3] [4] [5] [6] [7]. Web links: [1] [2]