... বং নারীবাদী। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কাজগুলির একটি হল আনা আহিয়া (১৯৫৮), এটি পি...
 

Layla Baalbakki
শিক্ষাBeirut Jesuit University

লায়লা বালাবাক্কি (এছাড়াও লেইলা/লায়লা/ বালবাকি/বালবাকি/বালাবাকি,আরবি: ليلى ببلببي) একজন লেবাননের ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, সক্রিয় কর্মী এবং নারীবাদী। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কাজগুলির একটি হল আনা আহিয়া (আই লিভ) (১৯৫৮), এটি পিতামাতার কর্তৃত্ব এবং সম্প্রদায়ের নেতাদের বিরুদ্ধে একজন মহিলার প্রতিবাদের গল্প বলে। বালাবাক্কির সাহিত্যকর্মও রাজনৈতিক রাজনৈতিক কোলাহল তুলেছিল কারণ তাঁর লেখায় ছিল ইসলামের প্রতি প্রকাশ্য সমালোচনা এবং যৌন উত্তেজক গল্প। বালাবাক্কিকে বিচারের আওতায় আনা হয়, এবং তাঁর প্রতিটি কাজ নজরদারির আওতা আনা হয়।[1] সামাজিক মূল্যবোধকে পিছনে ফেলে দেওয়া এবং বিকল্প নারী পরিচয় অন্বেষণের প্রতিটি ইচ্ছা বালাবাক্কিকে সমসাময়িক আরব নারীবাদের উপর একটি বড় প্রভাব ফেলে।

প্রাথমিক জীবন এবং শিক্ষা

১৯৩৬ সালে একটি ঐতিহ্যবাহী শিয়া মুসলিম [2] পরিবারে জন্মগ্রহণ কারী লায়লা বালাবাক্কি বৈরুতে বড় হন। তার কৈশোরে, বালাবাক্কি দ্রুত বুঝতে পেরেছিলেন যে নারী শিক্ষার মূল্য নেই। এই বাধা সত্ত্বেও, তিনি বৈরুতের জেসুইট বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন যেখানে তিনি সাহিত্য অধ্যয়ন করেছিলেন। এর সঙ্গে বালাবাক্কি লেবাননের সংসদে সচিব হিসেবে কাজ করতেন[3] । যদিও বালাবাক্কি শেষ পর্যন্ত এই কাজের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় ত্যাগ করেন, এই অভিজ্ঞতা তাকে একটি রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি জাগ্রত করতে এবং আরব নারীদের পরাধীন করে এমন একটি সামাজিক সংস্কৃতি গঠনে সরকারের ভূমিকা সম্পর্কে তার নিজস্ব প্রতিটি ধারণা গঠন করতে সক্ষম করে।[1] বালাবাক্কি ইউরোপে এক বছরের বৃত্তি অর্জনের জন্য সংসদ ত্যাগ করেন, যা পরে স্বাধীনতা এবং মত প্রকাশ সম্পর্কে প্রতিটি ধারণাকে অবহিত করবে। [1]

উল্লেখযোগ্য কাজ

১৯৫৮ সালে লায়লা বালাবাক্কি তার প্রথম বই আই লিভ প্রকাশ করেন যখন তার বয়স ছিল ২২ বছর। প্রধান চরিত্র লিনা ফায়াদের জবানিতে তিনি এই আখ্যান উপস্থাপন করেছেন, যে আত্ম এবং বাস্তবতা সম্পর্কে তীব্র সচেতনতা প্রদর্শন করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে, লিনা একজন সাহসী লেবাননের মহিলা যে সামাজিক প্রভাব প্রত্যাখ্যান করে।[4] প্রকাশ্যে তার বাবা এবং বুর্জোয়া শ্রেণীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে, লিনা আক্রমণাত্মকভাবে তার মেয়েলি পরিচয় থেকে মুক্তি চায়। সে সার্ত্রের লেখায় আশ্রয় পায়, নিজেকে পশ্চিমা সাহিত্য এবং অস্তিত্ববাদী চিন্তার কাছে উন্মুক্ত করে। তার পরিবারের আপত্তি সত্ত্বেও, লিনা কাজে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে যায়, যেখানে তার দেখা হয় বাহার সঙ্গে, যে একজন কমিউনিস্ট। সে বাহার প্রেমে পড়ে। যাইহোক, লিনার বুদ্ধিবৃত্তিক আদর্শ তার বাস্তবে রূপান্তরিত হয় না।[4] প্রতিবাদ করেও লিনা সামাজিক প্রত্যাশার অধীন হতে থাকে এবং অবশেষে হতাশ হয়ে দেশে ফিরে আসে। লিনার অভিজ্ঞতার মাধ্যমে বালাবাক্কি একটি অভ্যন্তরীণ নারীবাদী অভিজ্ঞতা কে তুলে ধরেন যার বাহ্যিক সামাজিক সংস্কৃতির সাথে দ্বন্দ সৃষ্টি হয়। এই বিষয়টি বালাবাক্কির দ্বিতীয় উপন্যাস আল-আলিহা আল-মামসুখা (দেবতাদের বিকৃত) (১৯৬০) এর মাধ্যমে অব্যাহত রয়েছে। এর নায়িকা মীরা এক পর্যায়ে চিৎকার করে বলে, "আমি এই পর্যন্ত এটা বাবাদের সাথে পেয়েছি, যদি সে মারা না গিয়ে থাকে, আমি চাই সে মারা যাক।" এই ধরনের উদ্ধৃতি গুলি ইঙ্গিত দেয় যে পিতা ব্যক্তিত্ব এবং পিতৃতান্ত্রিক সমাজের অত্যাচারী প্রকৃতি নারীবাদী বিদ্রোহকে বাধা দিতে এবং অনুপ্রাণিত করতে কাজ করে।

১৯৬৩ সালে বালাবাক্কি তার প্রথম ছোট গল্পের সংকলন সাফিনাত হানান ইলা আল-কোয়ামার (চাঁদে কোমলতার মহাকাশযান) প্রকাশ করেন। কয়েক মাস পরে, বালাবাক্কির বিরুদ্ধে অশ্লীলতা এবং "জনসাধারণের নৈতিকতা বিপন্ন" করার অভিযোগ আনা হয়।[5] লেবাননের ভাইস স্কোয়াড প্রতিটি বইয়ের দোকানে ঘুরে যেখানে যেখানে বইটি বিক্রি করা হচ্ছিল সেখান থেকে সমস্ত অবশিষ্ট বই বাজেয়াপ্ত করে, এর প্রেমমূলক বিষয়বস্তুর কারণে। যদিও শেষ পর্যন্ত খালাস দেওয়া হয়, এই বিতর্ক বালাবাক্কির গল লেখার সমাপ্তি চিহ্নিত করে,[5] কারণ তিনি বৈরুতে সাংবাদিক হিসাবে সাহিত্য জীবনের অবশিষ্ট সময় কাটিয়েছিলেন।[1]

সক্রিয়তা

লায়লা বালাবাক্কি লিঙ্গ সমতা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং সামাজিক সংস্কারের পক্ষে একজন বক্তা। ১৯৫৯ সালের মে মাসে বালাবাক্কি তার "উই উইদাউট মাস্ক" ভাষণ দেন, যা লেবাননের তরুণদের সামাজিকীকরণ সম্পর্কে একটি বক্তৃতা।[6] তিনি উল্লেখ করেছেন যে কিভাবে লেবাননের তরুণরা বড় হয়ে "তাদের শরীরের জন্য লজ্জিত হয় এবং প্রতিটি সংবেদনের বিরুদ্ধে লড়াই করে" যা যৌন কৌতূহল থেকে উদ্ভূত হয়।[2] বিপরীতে, আমেরিকান এবং ইউরোপীয় যুবকরা আরও স্বাধীনতা অনুভব করে, এলভিস প্রেসলি এবং সেভেন-আপের সংস্পর্শে বড় হয়।[2] বালাবাক্কি এই উদাহরণগুলি দিয়েছিলেন একটি সামাজিক বিদ্রোহকে অনুপ্রাণিত করার আশায় যা রাষ্ট্রের আধুনিকীকরণ করবে।

গ্রন্থপঞ্জি

উপন্যাস১৯৫৮ – আনা আহিয়া (আমি বেঁচে আছি)

১৯৬০ – আল-আলীহা আল-মামসুখা (ঈশ্বরেরা বিকৃত)

ছোট গল্প ১৯৬৩ – সাফিনাত হানান ইলা আল-কোয়ামার (চাঁদে কোমলতার মহাকাশযান)

  • মুনা জব্বুর

তথ্যসূত্র

 

  1. 1 2 3 4 King-irani, Laurie (২০০৪)। Encyclopedia of the Modern Middle East। Gale। 
  2. 1 2 3 Haim, Sylvia G. (১৯৮১)। Middle Eastern Studies। Taylor & Francis Ltd। 
  3. "Layla Baalbakki"arabwomenwriters.com। ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১১ অক্টোবর ২০১৪ 
  4. 1 2 Ashour, Radwa (২০০৮)। Arab Women Writers : A Critical Reference Guide (2 সংস্করণ)। American University in Cairo Press। 
  5. 1 2 Abudi, Dalya (২০১১)। Women and Gender: The Middle East and the Islamic World 
  6. Accad, Evelyne (১৯৯৫)। Arab Women's Literary Inscriptions: A Note and Extended Bibliography। Third World Women's Inscriptions। 




  Go to top  

This article is issued from web site Wikipedia. The original article may be a bit shortened or modified. Some links may have been modified. The text is licensed under "Creative Commons - Attribution - Sharealike" [1] and some of the text can also be licensed under the terms of the "GNU Free Documentation License" [2]. Additional terms may apply for the media files. By using this site, you agree to our Legal pages [3] [4] [5] [6] [7]. Web links: [1] [2]